৭ দিনে ইংরেজি উচ্চারণ! (১ থেকে ৮ পর্যন্ত)

৭ দিনে ইংরেজি উচ্চারণ! (১ থেকে ৮ পর্যন্ত)

- এস এম জাকির হুসাইন

অনেকেই জানেন যে বাংলা ভাষায় ইংরেজি উচ্চারণবিদ্যা বা Phonetics এর ওপর তত্ত্বকথা বিবর্জিত এবং সম্পূর্ণ কৌশলগত বইটি আমি ই প্রথম রচনা করেছিলাম। আজও সেই বইয়ের কৌশল অবলম্বন করেই অনেক বড় বড় কোচিং সেন্টারেও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

তবে তার চেয়ে আরও সহজ কৌশল আবিষ্কার করেছিলাম তার ও কিছুকাল পরে। সেগুলি নিয়ে একটি সফটয়্যার তৈরি করেছিলাম, যা এক সময়ে প্রচুর বিক্রি হয়েছিল। সম্প্রতি তার চেয়েও আরও সহজ পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছি, যার বদৌলতে মাত্র কয়েক দিনেই ইংরেজি উচ্চারণবিদ্যার মূল ধারাটিকে রপ্ত করে ফেলা যায়। প্রকৃতপক্ষে মাত্র দুই দিনেই মূল নিয়মগুলি শিখে নেয়া যায়, কিন্তু তাতে শিক্ষণ পাকাপোক্ত নাও হতে পারে। 

আমরা এখন সেই জাদুকরী কৌশলগুলি শিখব এবং দেখা যাবে যে মাত্র কয়েক দিন পরেই পাঠকের ইংরেজি উচ্চারণ শুনে তার ই বন্ধুরা অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

তাহলে আসুন, আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করি।

।।।

আমরা শুরুতেই ইংরেজ ও বাংগালি জিহবার সা রে গা মা টা দেখে নেব। এ এক মজার জিনিস। নিজের চোখে না দেখলে অন্যের দড়ির গল্পকে সাপ মনে হয়। সারা জীবন শুধু এই কথাটাই শুনে এসেছেন যে উচ্চারণবিদ্যা, সে যে ভাষার ই হোক, খুব ই নীরস এবং কেবল ই চর্চানির্ভর। আজ নিজের চোখেই দেখবেন যে এতদিন যাকে সাপ মনে করে এসেছেন তা আসলেই এক টুকরো দড়ি মাত্র। প্রকৃতপক্ষে, উচ্চারণবিদ্যা আপনার যে কোনো প্রিয় বিদ্যার মতোই উপভোগ্য। আমি এস এম জাকির হুসাইন বলছি। প্রমাণ ছাড়া কথা বলি না। কথাটা যেহেতু বলেই ফেলেছি, প্রমাণ ও দিচ্ছি, ইনশা আল্লাহ।

আসুন, কিছু উদাহরণ দেখি। কল্পনা করুন যে আপনার সামনে এক ইংরেজি ভাষী রয়েছেন। আপনার বন্ধু। আপনি তার সাথে কিছু কথা বলার মাধ্যমে ইংরেজ এবং বাংগালি জিহবার মানচিত্র আঁকতে চান। তাই আপনি তাকে তার জিহবায় কিছু বাংলা বাক্য উচ্চারণ করাতে চান। আপনি তাকে বললেন - ভাইজান, আজ কিন্তু আমার সাথে কয়েকটা বাংলা বাক্য বলতে হবে। 

উনি হয়তো বলবেন - ওয়াই, মাই ফ্রেন্ড? ইউ ওয়ানা টীচ মি বাংলা?

- নো, ভাইজান। আই ওয়ান্ট টু লার্ন ইংলিশ প্রানানসিয়েইশান ফ্রম ইওর বাংলা প্রানানসিয়েইশয়ান।

উনি হয়তো বলবেন - হাউজ দ্যাট পসিবল? আই সিম্পলি ক্যান্ট আন্ডারস্ট্যান্ড। আর ইউ মাকিং ফান ওইথ মি?

- নো, মাই ডিয়ার - হয়তো বলবেন আপনি - বাট আই ডু ওয়ান্ট টু হ্যাভ সাম ফান ইন মাই লার্নিং।

- আই সী। দ্যাট সাউন্ডজ ইন্ট্রেস্টিং।

বেশ। উনি রাজি হয়ে গেলেন। সুতরাং তাকে এখন আপনার দেয়া কয়েকটা বাংলা বাক্য উচ্চারণ করতে হবে।

।।।।।।।৩।।।।।।।

আপনি বললেন - ভাইজান, এই বাক্যটা আপনার মুখে বলেন তো একটু:

১) আমি ঢাকা থাকি।

উনি বললেন - বাইজান, দিস ইজ ভেরি ঈজি: 

আমি ডাকা তাকি।

আপনি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। - জিহবায় সমস্যা আছে নি লোকটার? - এক বন্ধুর আঞ্চলিক ভাষায় মনে মনে ভাবলেন। বললেন: ফার্স্ট লিসেন টু মি ভেরি ওয়েল, ফ্রেন্ড। আই সেড: আমি (ঢা)কা (থা)কি। ওকে?

তিনি বললেন - ঔখেই, বাইজান। আম সেইং ইট এগেন: আমি (ডা)খা (তা)খি।

এই সেরেছে! - মনে মনে ভাবলেন আপনি - হ্যায় তো বাংলাই জানে না। আমারে ইংলিশ শিখাইব ক্যানবায়? - এ বারও নিজের আঞ্চলিক ভাষাটাও আপনার মাথায় এলো না। মাথা এলোমেলো হয়ে গেলে নাটক সিনেমায় এরকম হওয়া উচিত। 

মোটকথা, আপনার বাংলাই এলোমেলো হয়ে গেছে লোকটার কথা শুনে। ভাগ্যিস, আপনার মধ্যে যা ঘটেছে, কেবল মনে মনেই ঘটেছে। এখনও বাইরে প্রকাশ পায় নি। যা হোক, আপনি তাকে বললেন - আমি তো আপ্নেরে আমি যা কইছি শুধু তাই কতি কইছি। কী কতি কী কন, তা হিসাব রাখেন? আমি তো আপ্নেরে বাংলা কতি কইছি। কী সব কস্যেন শুনে আমার বাংলাই তো এলোমেলো হয়ে গেল রে ভাই। আর এক বার কন দি। আমার মাথা শেষ। সহজ বাংলা শব্দ বোঝেন না? কন কি, ঢাকা।

উনি বললেন - ডাখা।

আপনার গাল হা হয়ে গেল। এ বার বললেন - কন দি, থাকি।

উনি বললেন - তাখি। 

আপনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে মাথাটা ঠাণ্ডা করে নিলেন। আপনার নিজের আঞ্চলিক বাংলাই অঞ্চল-ছাড়া হয়ে যাচ্ছে।

এ বার বললেন - ভাইজান, আপ্নের সমস্যাডা ভিতোর থেকে বুজদি হবে। বলেন দি:

আমার কাকা দশ টা টাকা নিয়ে একটা কই মাছ কিনতে ঢাকায় গিয়ে ভালো মাছ না পেয়ে বাড়ি ফিরে এলো।

উনি বললেন - আমার খাখা ডশঠা ঠাখা নিয়ে একঠা খই মাছ খিনথে ডাখায় গিয়ে বালো মাছ না পহেইয়ে বাড়ি ফিরে এলো।

মনে মনে ভাবলেন - ইংরেজরা শিক্ষিত জাত। ওদেরকে দোষ দেয়া যাবে না।  হয়তো আমার বাংলায় ভুল আছে। যা হোক, কাল আবার কথা বলব। 

।।।।।৪।।।।।

পরের দিন আপনার ইংরেজ বন্ধুকে বললেন - আচ্ছা, বলো তো, তোমার কানে ওটা কী?

উনি বললেন - ঠোমার খানে ওঠা খী?

- আরে ভাই, তোমাকে তো বলতে বললাম 'তোমার'। 

- আরে বাই, বললাম ঠো, 'ঠোমার'। 

আপনি আর কথা না বাড়িয়ে চোখ বন্ধ করে চিন্তা করতে শুরু করলেন। আপনার সন্দেহ হচ্ছে সে ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছে কি না। বললেন - আচ্ছা, বলো তো, 'ট'।

- ঠ।

- বলো তো 'ক'।

- খ।

- ভাইজান, কানে কোনো সমস্যা নেই তো?

- বা, বাইজান, খানে খোনো শমশ্যা নেই।

- তুমি কি তাই বলেছ যা আমি বলতে বলেছি?

- হ্যাঁ। ঠিক ঠাই বলেছি। ঠুমি খি বুল শুনেছ?

এ বার আপনার সন্দেহ হতে শুরু করল আপনি ভুল শুনেছেন কি না। তাই আপনি আপনার কান নিয়ে ভাবতে লাগলেন। 

- নাহ! - ভাবলেন আপনি - Learning English with Experts গ্রুপের এক্সপার্টদের সাথে আলাপ করতে হবে। এতোদিন আপনি কল্পনাই করতে পারেন নি যে আপনাকে কোনো ইংরেজের মুখ থেকে বাংলা উচ্চারণ শিখতে হবে।

মাঝে মাঝে ভাবনার সাথে ঘটনাও কাকতালীয়ভাবে মিলে যায়। কারণ যা ঘটার তা কখনও কখনও ভাবনায় চলে আসে। তাই ঠিক এমন সময়ে সেখানে উপস্থিত হলো মুনতাসির মামুন, তানভীর হোসেন, নাজমুস সাকিব, মুহাম্মদ সোহেল রানা, মহিউদ্দিন মোল্যা, জনি জাকারিয়া, আহাদুল হক সোহাগ, রিশাদ ইশতিয়াক স্বচ্ছ সহ আপনার আরও কয়েকজন ফেসবুক বন্ধু। তারা চায়ের দাওয়াতে সাড়া না দিলেও কফির দাওয়াতে না বলতে আগ্রহী নয়। আপনি অর্ডার দিলেন - ভাই, আমাদেরকে দশটা কফি দেন।

- ডশঠা খফি খ্যানো? এগারোঠা। আমি আছি না?  - আপনার বিদেশি বন্ধুটা আপনাকে শুধরে দিল। আপনি আপনার বন্ধুদের দিকে আড়চোখে একবার তাকিয়ে ঠোঁটে একটা তির্যক হাসি এঁকে কফিওয়ালার দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন - বাইজান, আমাডেরখে ডশঠা নয়, এগারোঠা খফি ডেন প্লিজ।

- এই বার ঠিক হয়েছে। ঠোমার উচ্ছারণ ঠিক হয়ে গেছে। ঠুমি ইংলিশ উচ্ছারণ শিখঠে পারবে। - আপনার ইংরেজ বন্ধুটা খুশিতে চীৎকার দিয়ে উঠলো। 

আপনি আপনার বন্ধুদেরকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন। মনে মনে ভাবলেন - বিষয়টা আসলে কী? আমার বাংলা ঠিক হচ্ছে না কি ইংরেজি?

আপনার মনের কথা বুঝতে পেরে মুনতাসির মামুন বলল - ইংরেজি। তোমার ইংরেজি ই ঠিক হচ্ছে। 

- সাংঘাতিক ব্যাপার তো! - বললেন আপনি - ইংরেজের বাংলার মাধ্যমে আমাকে ইংরেজি শিখতে হবে?

- মজাটা তো এখানেই - বলল সোহাগ। - অকারণে কি এক্সপার্টদেরকে ধরে এনেছি?  একটু পরে দেখবে ভাষার রহস্য। কাগজ কলম ও এনেছি। মার্কার বোর্ড ও সাথে আছে। - এই বলে তারা কফির দোকানেই লেখার বোর্ড টানাতে শুরু করল। কফিওয়ালার চোখদুটো একটু বড় হয়ে গেল।

৭ দিনে ইংরেজি উচ্চারণ - ৫

--- এস এম জাকির হুসাইন

সোহাগ এবং রিশাদ দেয়ালে বোর্ড টাংগিয়ে দ্রুত দৈড়ে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াল। আশে-পাশে যারা ছিল সবাইকে ডেকে ভেড়ালো: ভাই সব! আসেন। আজ আমরা ইংরেজি উচ্চারণ শিখব। সবাই আসেন। 

- আরে ভাই - এক জন বলল - আমারে ছাইড়ে দেন। আমি তো ইংরাজি ই জানি নে। আমারে আফনারা ইংরেজি উচ্চারণ শিখেবেন ক্যান?

- ইংরেজি না জানলেও সমস্যা নেই - রিশাদ বলল - আগে উচ্চারণ টা শিখে যান। পরে ইংরেজিটা শিখে নেবেন। 

- আর যদি ইংরেজি শিহার সুমায় না পাই। আমি ব্যস্ত মানুষ। 

- ইংরেজি যদি না শেখেন তাহলে কাউকে উচ্চারণটা শিখিয়ে দিয়েন।

- আচ্ছা, চলেন যাই। ছেলেডারে তো শিহেতি পারবানে।

মোট কথা, তারা এতটাই জেদ ধরেছে যে, যে ইংরেজি জানে না তাকেও ইংরেজি উচ্চারণ শিখিয়ে দেবে। 

কিছুক্ষণের মধ্যেই কফি হাউসে লোকারণ্য হয়ে গেল। মামুন সবাইকে সম্মোধন করে বলল - প্রিয় বন্ধুগণ। এখানে যে কী ঘটতে যাচ্ছে তা কল্পনাও করেন নি কেউ। আমরা ইংরেজি উচ্চারণবিদ্যাটা শিখতে যাচ্ছি, ইনশা আল্লাহ।

- মামুন ভাই - বলল দুই পথচারী - ইংরেজি শেখার আগেই ইংরেজি উচ্চারণবিদ্যাটা শিখতে যাচ্ছি। সত্যি আমরা ভিষণভাবে পুলকিত হচ্ছি। কিন্তু একটা প্রশ্ন করতে মন চাচ্ছিল। 

- জ্বী, করেন। কিন্তু একটার বেশি না। হাতে সময় কম। আপনিও তো ডালপুরি কিনে নিয়ে বাসায় যাবেন, তাই না? সময় তো আপনার ও কম।

- তা মন্দ বলেন নি - বলল এক জন। - আসলে জানতে মন চাচ্ছিল যে, যারা ইংরেজি শিখে ফেলছে তাদেরকে না শিখায়ে আমাদেরকে শেখাচ্ছেন যে? মনে হয় আপনি কোনো কারণে ক্ষেপে গেছেন। 

- ঠিক ধরেছেন লাবলু ভাই - বলল তানভীর। - যারা ইংরেজি শিখে ফেলেছে তারা কিছু ভুল ধারণার মধ্যে আটকে গেছে। তারা কোনো না কোনো ভাবে ভাবতে শিখেছে যে ইংরেজি উচ্চারণ শিখতে হলে বিশাল ডিকশনারি মুখস্থ করার মতো করে প্রতিটা শব্দের উচ্চারণের প্রতীক বা IPA মুখস্থ করতে হয়। 

লাবলু সাহেব বললেন - আমারও কিন্তু হাসি পাচ্ছে, তানভীর ভাই। এ সব প্রচার করে কারা? আপনারাই ভালো জানেন। আচ্ছা, আমাকে একটু বলেন তো, বাচ্চারা তাদের মাতৃভাষা ইংরেজি শেখার সময়ে কয়টা ডিকশনারি আর কয় হাজার IPA প্রতীক মুখস্থ করে? 

- তাহলে এখন বোঝেন - বলল মামুন - কেন আমরা Learn English with Experts গ্রুপের এক্সপার্টরা রেগে গেছি। আমরা বস্তা বস্তা শব্দ ও তাদের উচ্চারণের প্রতীক মুখস্থ না করিয়েই ইংরেজি উচ্চারণবিদ্যা শিখিয়ে ছাড়ব ইনশা আল্লাহ।

।।।।।।।৬।।।।।।

তানভীর লেকচার শুরু করল - ডিয়ার লার্নারজ।  আমাদের মধ্যে দুটো ভুল ধারণা খুব পাকাপোক্ত হয়ে গেছে। 

১) Word শিখতে হয় ডিকশনারি মুখস্থ করে। দেখুন, কোনো তালিকা মুখস্থ করে শব্দ শেখাও মূলত ডিকশনারি মুখস্থ করা ছাড়া আর কিছু নয়। 

মামুন কিছুক্ষণের জন্য ফ্লোর নিয়ে তানভীরের সাথে যোগ দিল - ডিকশনারি আপনাকে আজীবন ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার প্রয়োজনে তালিকার মাধ্যমে কিছু শব্দ নিয়ে চর্চা করার দরকার ও হতে পারে। 

সোহাগ এগিয়ে এসে বলল - তা কিন্তু হতেই পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি ওয়ার্ড শেখা শুরু করবেন ডিকশনারি বা তালিকা মুখস্থ করার মাধ্যমে।

রিশাদ এগিয়ে এসে বলল - বিষয়টা কিন্তু এখানেই। ওয়ার্ড শেখার ক্ষেত্রে চলার পথে আপনাকে অনেক কিছুই করতে হতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার স্টার্টিং পয়েন্ট হবে ডিকশনারি দিয়ে। নো! নেভার!

এক শিক্ষার্থী জানতে চাইল - স্যার, দ্বিতীয় কী যেন একটা ভুলের কথা বলছিলেন?

হ্যাঁ, তানভীর বলল - এক ভুল দুই বার করলে দ্বিতীয়বারের ভুলটা হয় দুই নম্বরের ভুল। অর্থাৎ উচ্চারণ শেখার ক্ষেত্রেও আমরা ওয়ার্ড শেখার গতানুগতিক পথটাই ধরি। ফলে আমরা উচ্চারণের ফনেটিক সিম্বলের লম্বা তালিকা মুখস্থ করতে চাই। এটা আরও বড় ভুল। ভাবখানা এমন যে আমরা আমাদের ইংরেজির উচ্চারণ শিখতে চাচ্ছি না, বরং চাচ্ছি শুধু শব্দের উচ্চারণ শিখতে। না, এটা সঠিক উপায় নয়। তালিকা চর্চা যে দরকার নেই তা বলছি না। তার একটা জায়গা থাকতেই পারে। তবে সে জায়গাটা শিক্ষণের প্রথম দিকের জায়গা নয়।

দেখুন, একটা শিশু কি ডিকশনারি পড়ে শব্দ শেখে? না। অর্থ যেমন শব্দের অংশ তেমনি উচ্চারণ ও তার একটা অংশ। 

মামুন বলল - একটু চিন্তা করে দেখেন তো, এক ই শব্দের এক অংশ আপনি পড়ে শিখবেন এবং আর এক অংশ শিখবেন শুনে। সেটাই তো নিয়ম। এবং দুইটা কাজ চলবে এক ই সাথে - চর্চার মাধ্যমে। কেবল জিহবার মানচিত্রটা ভালোভাবে জেনেই তা সম্ভব। মুখস্থ করা আর জানা এক কথা নয়। পরের জিহবার বৈশিষ্ট্য জানতে হলে মুখস্থ বিদ্যার আশ্রয় নিতে হয়। কিন্তু নিজের জিহবার বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে জানার উপায় ই হলো প্রকৃত আবিষ্কারধর্মী চর্চা।

তানভীর বলল - এ বার মামুন ভাই আমাদেরকে ম্যাজিক দেখাবেন।

কফিওয়ালা এগিয়ে এসে বলল - কফি নিয়ে আসি? ম্যাজিক আর কফি একসাথে মানাবে ভালো। 

সবাই সিদ্ধান্ত নিল যে তারা নিজ নিজ খরচে এক কাপ করে কফি খাবে। হাজার হলেও, দোকানীর তো ক্ষতি করা যায় না।

৭ দিনে ইংরেজি উচ্চারণ - ৭

- এস এম জাকির হুসাইন

মামুন কথা বলতে শুরু করলে বাকিরা নিজ নিজ জায়গায় গিয়ে বসে পড়ল। - আসলে আমি জাদুকর নই। কিন্তু অনেক সময়ে জাদুকরেরাও আমার জাদু দেখতে আসে। লার্নিং ইংলিশ উইথ এক্সপার্টস নামক ফেসবুক গ্রুপে আমরা যখন ভালো কিছু করি তখন তা জাদুর চেয়েও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আমরা শিক্ষণ জগতে জাদুময় মোহনীয়তা সৃষ্টি করতে চাই।

আসুন আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বর্ণমালা তথা আমাদের ই বাংলা বর্ণমালার দিকে একটু তাকাই। 

- একটু নতুনভাবে তাকাই - বলল সাকিব। 

মামুন বলে চলল - আমি আমাদের বর্ণমালার বর্গীয় বর্ণগুলোর এক অংশ বোর্ডে লিখছি। আমার সাথে একটা একটা করে পড়ুন:

...১...২....৩...৪....

...ক...খ...গ...ঘ...
...চ...ছ...জ...ঝ...
...ট...ঠ...ড...ঢ...
...ত...থ...দ...ধ...
...প...ফ...ব...ভ...

সাকিব উঠে এসে বলল - প্রথম কলামের বর্ণগুলোর প্রতি লক্ষ করুন। উপর থেকে নিচের দিকে। আসুন, ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ করি: |ক|, |চ|, |ট|, |ত|, |প|

সোহাগ উঠে এসে বলল - আসুন, এবার ধ্বনিগুলোর উচ্চারণ বিশ্লেষণ করি। আমার সাথে বলুন - |ক|.

সবাই বলল - | ক অ অ অ |

- জিহবার গোড়া গলায় বা কণ্ঠে আটকে যাওয়ার পর আমরা তাদেরকে | অ | স্বরধ্বনির বাতাস দিয়ে ছাড়িয়ে নিলে ধ্বনিটা বাতাসে বের হয়ে আসে। এটা অনুভব করতে করতে আরও পাঁচ বার বলুন - | ক অ অ অ |

সবাই একযোগে উচ্চারণ করল - |ক|.

রিশাদ তার জায়গায় দাঁড়িয়েই বলল - বলুন : সুন্দর হয়েছে।

- সুন্দর হয়েছে! - বলল সবাই।

সোহাগ তার জায়গায় চলে গেলে মামুন বলল - এ বার গলার গোড়ায় জিহবাটাকে আটকে রেখে | ক অ | বলতে গিয়ে | অ | না বলেই, আবারও বলছি, | অ | না উচ্চারণ করেই, |ক| বলুন। 

সবাই চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু | অ | উচ্চারণ করতে না পারার কারণে কারও উচ্চারণ আর শোনা যাচ্ছিল না। 

তখন সাকিব তার জায়গায় উঠে দাঁড়িয়ে বলল - | ক | বলতে পারবেন না। সুতরাং আমরা বলব যে উচ্চারণ করার চেষ্টা করুন। গলায় ধ্বনিটা কোন জায়গা থেকে সৃষ্টি হতে চাচ্ছে তা অনুভব করুন।

একজন বলল - উচ্চারণ তো হয় না। মনে হচ্ছে বলার চেষ্টা করতে থাকলে দম বন্ধ হয়ে মারা যাব।

- মারা গেলে সাথে সাথে দম ছেড়ে দেবেন। তাহলে আর মরবেন না। - রিশাদ বলল। 

মামুন বলল - আসুন, এভাবে বাকি ধ্বনিগুলো ও উচ্চারণ করার চেষ্টা করি। অর্থাৎ প্রথমে | অ | উচ্চারণ সহ, এবং পরে | অ | উচ্চারণ ছাড়াই। যেমন - |চ|, |ট|... ইত্যাদি।

কিছুক্ষণ ধরে সবাই বায়ুবিহীনভাবে বাকি ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ করতে চাইল। চর্চার ছন্দে কফি হাউসটা মুখরিত হয়ে উঠল।

কিছুক্ষণ পর মামুন বলল - আসুন, এ বার ২ নম্বর কলাম নিয়েও এক ই অনুশীলন করা যাক।

খ অ >>> খ { দম আটকে যায় }
ছ অ >>> ছ { দম আটকে যায় }
ঠ অ >>> ঠ { দম আটকে যায় }
থ অ >>> থ { দম আটকে যায় }

এ বার বলুন, কার অভিজ্ঞতায় কী পেলেন।

এক জন বলল - <ক> এর সাথে <অ> থাকলে তা উচ্চারণ করা যায়। <খ> এর সাথে <অ> থাকলে তা উচ্চারণ করা যায়। তার মানে হলো, উচ্চারিত হওয়ার পর <খ> মানে হলো <ক+হ>, অর্থাৎ <ক> এর সাথে উচ্চারণের ধাক্কা বা <হ> জুড়ে দিলে <খ> পাওয়া যায়।

- আর কিছু বলবেন সেলিম ভাই? - রিশাদ জিজ্ঞাসা করল। 

- হ্যাঁ, বলব - বলল লোকটি।  - এই দুই কলামের সবগুলো ধ্বনির বেলায় এক ই কথা প্রযোজ্য।   

সাকিব ব্যাখ্যা করল - উচ্চারণের এই জাতীয় ধাক্কাকে বলে aspiration.  এই ধাক্কাপ্রাপ্ত ধ্বনিকে বলে aspirate. 

- আচ্ছা, তাহলে এ বার ৩ নাম্বার কলাম নিয়ে অনুশীলন করি। - মামুন এগিয়ে চলল। আসুন সবাই, উচ্চারণ শুরু করি।

| গ অ | >>> | গ | { দম আটকে যাচ্ছে }
| জ অ | >>> | জ | { দম আটকে যাচ্ছে }
| ড অ | >>> | ড | { দম আটকে যাচ্ছে }
| দ অ | >>> | দ | { দম আটকে যাচ্ছে }
| ব অ | >>> | ব | { দম আটকে যাচ্ছে }

আচ্ছা, এই কলামের সাথে ৪ নং কলামের পার্থক্য কী? আগের মতোই। অর্থাৎ গ + হ = ঘ; জ + হ = ঝ; ড + হ = ঢ; দ + হ = ধ; ব + হ = ভ। তাই না?

- জ্বী, তাই। - সবাই বলল।

- এ বার তানভীর ভাই একটা প্রশ্ন করবে - বলল মামুন।

তানভীর সামনে এসে প্রশ্ন করল - এ বার বলুন তো, কলাম ১ এবং কলাম ৩ এর মধ্যে পার্থক্য কী? যেমন, < ক > এবং < গ > এর মধ্যে পার্থক্য কী?

- হায় হায়! এ কেমন প্রশ্ন, স্যার - বলল এক তরুন। - এগুলো তো আলাদা ধ্বনি। একেবারেই আলাদা। তাহলে পার্থক্য খোঁজার দরকার টা কী?

তানভীর বলল - তাহলে আমার প্রশ্নটাই নতুন করে সোহাগ ভাইয়ের মুখ থেকে শুনবেন।

সোহাগ এগিয়ে এসে প্রশ্ন করল - কলাম ৩ এবং কলাম ১ এর মধ্যে পার্থক্য কী? যেমন,  < গ > আর < ক > এর মধ্যে পার্থক্য কী, যদি আপনাকে এদের সাথে < অ > উচ্চারণের অনুমতি না দেয়া হয়?

কেউ কথা বলছে না দেখে সোহাগ বলল - মামুন ভাই আপনাদের উত্তর পর্যালোচনা করবেন। - এবং সে চলে গেল।

মামুন বলল - আসুন, জোড়ায় জোড়ায় অনুশীলন করি। < অ > উচ্চারণ না করেই বলার চেষ্টা করুন : | ক |. এবং পাশাপাশি | গ |.

সবাই কিছুক্ষণ ধরে চর্চা করল। অবশেষে এক জন বলল - < অ > উচ্চারণ না করতে দিলে এই দুটোর মধ্যে কোনোই পার্থক্য আছে বলে মনে হয় না। দুটোতেই তো দম আটকে যায়।

- আপনি মিথ্যে বলেন নি, কারণ আপনি যেটুকু বুঝেছেন তাই বলেছেন, কিন্তু আপনি ভুল বলেছেন, কারণ আপনি সঠিক বিষয়টা বুঝতে পারেন নি। - এই বলে তানভীর তার জায়গায় চলে গেল। 

- আমার গলার মধ্যে কী হচ্ছে তা কি আমি জানি না? - বলল সে। 

মামুন বলল - দেখুন তাহলে। সে নিজে উচ্চারণ করার সাথে নিজের গলার বাইরে আংগুল রেখে দেখাতে লাগল : | ক | কে যদি | অ | ছাড়া উচ্চারণ করার চেষ্টা করা হয় তাহলে গলা আটকে যায়। নিজের গলার বাইরে আংগুল দিয়ে ছোঁয়া দিয়ে দেখুন। 

সে এগিয়ে যেতে থাকল - এবং দেখুন, | অ | ছাড়া | গ | উচ্চারণ করতে গেলেও গলা আটকে যায়। তবে, হাত দিয়ে দেখুন, গলার মধ্যে একটা  গুম গুম আওয়াজ হয়। কারণ, গলার মধ্যেই অভ্যন্তরীনভাবে কিছুটা বাতাস বের হয়। এবং কিছুক্ষণ পর শ্বাস আটকে যায়।

- ঠিক, স্যার, একদম ঠিক। ঠিক। - গলায় আংগুল বোলাতে বোলাতে একজন বলল।

মামুন বলল - এই যে গুম গুম আওয়াজ হচ্ছে, একে বলে voicing. এর কারণেই ৩ নং কলামের ধ্বনিগুলোকে বলে voiced sound বা ঘোষ ধ্বনি। এবং ১ নাম্বার কলামের ধ্বনিগুলোকে বলে unvoiced sound বা অঘোষ ধ্বনি। 

আসুন তাহলে একটা একটা করে দেখি:

ক --- অঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় না } 
চ --- অঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় না } 
ট --- অঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় না } 
ত --- অঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় না } 
প --- অঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় না } 

এবং...

গ  --- ঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় } 
জ --- ঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় } 
ড --- ঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় } 
দ --- ঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় } 
ব --- ঘোষ { গুম গুম আওয়াজ হয় } 

তানভীর উঠে এসে বলল - তাহলে শুনুন সবাই। এ বার এক মহারহস্য জানবেন। ক্ষুদ্র একটা বিষয়। কিন্তু অত্যন্ত, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই বলে সে তার জায়গায় চলে গেল।

মামুন বলল - সুতরাং রহস্যটা বলছি। তা হলো: 

ইংরেজিতে ১ নাম্বার কলামের ধ্বনিগুলোই নেই। 

- নেই? - সবাই একযোগে প্রশ্ন করল। 

- না, নেই। - বলল মামুন। - কারণ ইংরেজরা unvoiced sound উচ্চারণ করার সময়ে aspiration না দিয়েই পারে না। আর এ কারণে আপনি < ক > বললে আমাদের বিদেশী বন্ধু মি. জেমস বলবেন < খ >।  

জেমস সাহেব বলে উঠল - খ অ।

সোহাগ দৌড়ে এসে বলল - কালু কাকা কাকিকে নিয়ে কাঁচা কলা কেটে ভালো কাজ করে নি।

জেমস সাহেব অনুকরণ করল - খালু খাখা খাখিকে নিয়ে খাচা খলা খেঠে বালো কাজ করে নি।

সোহাগ চলে গেলে রিশাদ এসে বলল - তালাটা চাবি চায় কেন?

জেমস বলল - ঠালাঠা ছাবি ছায় খেনো?

তানভীর বলল - এ তো মুদ্রার এক পিঠ। অন্য পিঠ দেখে তো অবাক ই হয়ে যাবেন।

৭ দিনে ইংরেজি উচ্চারণ - ৮

মামুন আবারও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করল : আমি আবারও বলছি - প্রথম কলামের ধ্বনিগুলো ইংরেজিতে নেই। আর নেই বলে আপনি ইংরেজ জিহবা থেকে সেগুলো আশা করতে পারেন না। 

- তারা কি তাহলে ধ্বনিগুলো উচ্চারণ করতেই পারে না? - প্রশ্নটি করে রিশাদ বলল - মামুন স্যার আমাদের প্রশ্নের জবাব দেবেন। 

মামুন বলল - পারে,  যদি তার জন্য আমরা যেভাবে শিখছি সেভাবে কষ্ট করে শিখে নেয়। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে তাদের জিহবা থেকে তাদের জন্য যা স্বাভাবিক নয় তা আমরা আশা করতে পারি না।

- তাহলে মুদ্রার অন্য পিঠ সম্পর্কে কিছু কি বলবেন?

- ধন্যবাদ। আমরা দেখেছি যে unvoiced sound এর ক্ষেত্রে কেবল শ্বাসাঘাতযুক্ত বা aspirate ধ্বনিগুলোই ইংরেজিতে আছে। যেমন:

ক নেই, কিন্তু খ আছে।
চ নেই, কিন্তু ছ আছে।
ট নেই, কিন্তু ঠ আছে।
ত নেই, কিন্তু ঠ আছে।
প নেই, কিন্তু প(হ) আছে।

তবে আপাতত বলে রাখি যে, উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজিতে যে < ঠ > আছে তার অর্থ এই নয় যে তা হুবহু বাংলা < ঠ > এর মতো। এই ক্ষেত্রগুলোতে ভিন্ন কিছু কথা আছে। তবে সে আলোচনা 'জিহবার মানচিত্র' বিষয়ে আলোচিত হবে। তাছাড়া খেয়াল করুন যে আমি < ত > এর ডানে < থ > না লিখে < ঠ > এবং < প > এর ডানে < ফ > না লিখে < প(হ) > লিখেছি। এর সূক্ষ্ম বিচারও সেখানেই করা হবে। সঠিক জায়গায় সঠিক প্রসংগটা এলে তাকে আর কঠিন মনে হয় না। সুতরাং এখন আমরা voiced sound এত প্রসংগে যাব।

- আমার বিশ্বাস এ বার আমরা বিস্মিত হয়ে যাব - উঠে দাঁড়িয়ে বলল সোহাগ। 

মামুন বলল - সুতরাং তানভীর ভাই এখন আপনাদেরকে চমকে দেবেন। - এই বলে সে তার জায়গায় গিয়ে বসল।

তানভীর বলল - আমরা আমাদের বর্ণমালার ৩য় এবং ৪র্থ কলামদুটোর কথা মনে করি:

...৩.....৪...
...গ.....ঘ...
...জ....ঝ...
...ড.....ঢ...
...দ.....ধ...
...ব.....ভ...

দেখুন, আগে আমরা জেনেছি যে unvoiced sound গুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে 'হ'-যুক্ত ধ্বনিগুলোই শুধু আছে। যেমন:

খ আছে, ক নেই।
ছ আছে, চ নেই।
ঠ আছে, ট নেই।

ইত্যাদি।

কিন্তু...

রিশাদ উঠে দাঁড়িয়ে বলল - কিন্তু?

তানভীর চলতে থাকল - কিন্তু, voiced sound এর ক্ষেত্রে সত্যটা একেবারেই উল্টো।

- উল্টো?- মন্তব্যসূচক প্রশ্ন করল কয়েক জন।

- হ্যাঁ, উল্টো। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে 'হ-যুক্ত' ধ্বনিগুলোই ইংরেজি জিহবা উচ্চারণ করতে পারে না। 

- তাজ্জব তো! - বলল এক জন। 

- হ্যাঁ, তাজ্জব ই বটে। আর তাই ইংরেজিতে:

গ আছে, ঘ নেই!
জ আছে, ঝ নেই!
ড আছে, ঢ নেই!
দ আছে, ধ নেই!
ব আছে, ভ নেই!

সোহাগ দৌড়ে এসে বলল - ভাই, তুমি ভালো আছ?

আপনার ইংরেজ বন্ধু জেমস বলল - বাই, আমি বালো আছি। দন্যবাদ।

- ঢাকা কেমন লেগেছে, বন্ধু? - দৌড়ে এসে বলল রিশাদ।

- ডাখা খুব বালো লেগেছে, বন্দু। - বলল জেমস।

- জীবনের ঢালু পথে ভালো কিছু করতে হলে বিভিন্ন ধরণের ঘাম ঝরাতে হয় - দৌড়ে এসে বলল সাকিব।

জেমস বলল - জীবনের ডালু প(থে) বালো খিছু খরঠে হলে বিবিন্ন ডরনের গাম জরাঠে হয়।

(চলবে)

Comments